স্ত্রীকে ভালোবাসুন।

স্ত্রীকে ভালোবাসুন।
Write by ⇢Sujan
স্ত্রীকে ভালো রাখার মানেই ভালো
খাবার আর বাসস্থান নয়।
.
তার আত্মিক শান্তিটা খুবই জরুরী
সবাই বিলাসিতায় সুখী হয়না।
.
একজন স্বামী মানে যার হাত ধরে তার
স্ত্রী সব ছেড়ে আজীবন কাটিয়ে দিবে
যার ফলে তার সর্বগুণ থাকা প্রয়োজন
অথচ সমাজ স্ত্রীর পেছনে লেগে থাকে
তাকে জ্যাজ করতে।
.
আপনি জানেননা আপনার স্ত্রীর ত্যাগের
গল্প আপনার চোখে সে সর্বসুখী।
.
এরকম হলে সমস্যা আপনার চোখের
সাথে অন্তরেরও আপনি আসলে তাকে
উপলব্ধি করতে পারেননা।
.
একটা স্বামী শুধু জীবন সঙ্গীই নয়
বরং বাবা মায়ের স্নেহেরও অংশীদার,
স্ত্রীর উত্তম বন্ধু।
.
অথচ আপনার মধ্যে ইগো কাজ করে।
স্ত্রীর উপদেশ যদি শুনতে শরীর জ্বলে তাহলে বুঝে নিন
শয়তান আপনাকে অহংকারে কাবু করে ফেলেছে।
.
স্ত্রীর প্রতি যেমন স্বামীর কর্তৃত্ব রয়েছে তদ্রুপ
স্বামীর প্রতিও স্ত্রীর পূর্ণ হক্ব রয়েছে।
.
সংসার জীবনে কলহ আসবেই কিন্তু সেই কলহে জবান
দিয়ে যেন এমন কিছু বের যেন নাহয় যেটা সাংসারিক
জীবটায় বিষাদ করে দেয়।
.
জীবন কেটে যাবে কিন্তু জবানের কষ্টের
ঘাঁ কোনো মলমেই শুকাবে না।
.
স্ত্রী অনুভুতি গুলো তার হয়ে ভাবলে বুঝতেন তাকে,
বিশ্বাস করুন জগতের সব নারীই ভালোবাসা,
আদর ও আহ্লাদের কাঙাল,
এসব দিয়েই প্রতিটি নারীকে
সহজেই কাবু করা যায়।
.
আপনি একটু ভাবুন,
.
স্ত্রীর পরিবার থেকে কেউ আপনার বিরুদ্ধে
কিছু বললে আপনি মারাত্মক চটে যাবেন,
হয়তো কোনোদিন শ্বশুর বাড়ি পা রাখবেননা,
.
অথচ প্রতিনিয়ত আপনার স্ত্রীর সাথে এটায় হয়ে চলে,
যেখানে আপনিই পারেননা ফ্যামিলি ছাড়া কাউকে
আপন করতে সেখানে তার ওপর কিভাবে চাপিয়ে দেন?
.
মেয়ে বলে?
.
মেয়ে বলে কি মানুষ না?
আপনিও যেই মায়ের সন্তান সেও মায়েরই সন্তান
বরং বাবার রাজকুমারিও।
.
আচ্ছা কোন আইনে লেখা একটা মেয়েকে
এসব সহ্য করতেই হবে?
না রাষ্ট্রীয় আইন আর না
ইসলামিক শরিয়াহ্।
.
শরিয়তের দৃষ্টিতে নারীরা এহসান করে।
না করলে বাধ্য নয়।
.
স্ত্রীকে সম্মান দিতে শিখুন।
.
কেননা আল্লাহ্ র কাছে ঐ ব্যক্তিই উত্তম
যে তার স্ত্রীর নিকট উত্তম।
.
আমার কথা না হাদিসের কথা।
.
একজন স্বামীকে খুব বেশিই সাপোর্টিভ হতে হয়।
উত্তম জীবনসঙ্গী না পেলে জীবনটা
এতো বেশি তিক্ত হয়!!!
.
এটাও ঠিক সবার নসীবে সব জোটেনা।
থাকনা অপূর্ণ, চলুক এভাবেই!!
.
এইতো আর কয়েকটা দিন,
মরণ আসলেই তো সব শেষ।।

No comments